বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে ইরানকে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে জয় পেলেই ইতিহাস গড়তে পারত দলটি
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে ইরানকে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে জয় পেলেই ইতিহাস গড়তে পারত দলটি। যোগ করা সময়ে তারা গোলও করেছিল, কিন্তু ভিএআরের সিদ্ধান্তে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়।
এরপর অন্য ম্যাচগুলোর ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় ইরানকে। কিছু সময় আশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার ম্যাচের ফল তাদের বিপক্ষে যায়। ফলে নকআউটে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া হয়।
তবে টুর্নামেন্টে ইরানের পারফরম্যান্স প্রশংসা পাওয়ার মতো ছিল। নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিশরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তারা হারেনি। মাঠের বাইরেও ভিসা সমস্যা, দীর্ঘ ভ্রমণ ও অনুশীলনের সীমাবদ্ধতার মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে দলটিকে।
সবকিছু মিলিয়ে শেষ ৩২-এ উঠতে না পারলেও লড়াই করে অপরাজিতভাবে বিশ্বকাপ শেষ করায় ইরানের এই অভিযানকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেক ফুটবলপ্রেমী।