তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জামালপুরের মানুষ। শহরে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ১০-১২ ঘণ্টা এবং গ্রামে ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে।
তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জামালপুরের মানুষ। শহরে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ১০-১২ ঘণ্টা এবং গ্রামে ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ গেলেও সরকারি অফিসগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও এসি চালু থাকছে। এতে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানে ৮০৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক ওয়ার্ডে অন্ধকার নেমে আসে এবং গরমে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। জেনারেটর থাকলেও তা সব ওয়ার্ডে একসঙ্গে চালানো সম্ভব হয় না।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, জেলায় ৭ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন ১৫০-১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে মিলছে মাত্র ৫০-৬০ মেগাওয়াট। অন্যদিকে পিডিবি জানায়, শহর এলাকায় ৩০-৩২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২০-২২ মেগাওয়াট। তাই লোডশেডিং কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
দৈনিক জুলাই ৩৬/দজ