চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট দরপত্র ছাড়াই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বরাদ্দ দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ...
চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট দরপত্র ছাড়াই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বরাদ্দ দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার নগরে তিনটি স্থায়ী ও সাতটি অস্থায়ী পশুর হাট বসছে। এর মধ্যে মাত্র দুটি অস্থায়ী হাট দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ইজারাদারদের অভিযোগ, দরপত্র আহ্বান না করায় তাঁরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার হাটগুলোর ইজারামূল্য কমেছে এবং সিটি করপোরেশনের রাজস্ব আয়ও হ্রাস পেয়েছে। গত বছর চারটি হাট থেকে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আয় হলেও এবার তা নেমে এসেছে প্রায় ৮৯ লাখ টাকায়।
অভিযোগ রয়েছে, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাট বিএনপি নেতা হাসান মুরাদ ৫ লাখ টাকায় পেয়েছেন, যেখানে গত বছর ওই হাট থেকে আয় হয়েছিল ২০ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া সিডিএ বালুর মাঠের হাট বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৭০ লাখ টাকায়, যদিও গত বছর এর ইজারা মূল্য ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যুবদল ও কৃষক দলের নেতারাও হাট বরাদ্দ পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
তবে সিটি করপোরেশনের দাবি, ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা ও মালিকানা জটিলতার কারণে কয়েকটি হাটে দরপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেন বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।